একটি খেজুর গাছ :
একদিন এক ছোট গ্রামে একজন দরিদ্র কৃষক বাস করত। তার নাম ছিল আবদুল্লাহ। আল্লাহর প্রতি তার ভরসা ছিল অটুট, কিন্তু জীবনে দারিদ্র্য তাকে সবসময় কষ্ট দিত। একদিন সে তার ছোট ছেলেকে নিয়ে বাগানে কাজ করতে গেল। সেখানে একটি শুকনো খেজুর গাছ দাঁড়িয়ে ছিল—বছরের পর বছর ফল দিচ্ছিল না।
ছেলেটি বলল, “আব্বা, এই গাছটা কেটে ফেলি না কেন? এর কোনো উপকার নেই।”
আবদুল্লাহ মৃদু হেসে বললেন, “না বেটা, হয়তো আল্লাহ একদিন এই গাছকে আবার জীবিত করে তুলবেন। আল্লাহর রহমত থেকে কখনো হতাশ হও না।”
কয়েকদিন পর প্রচণ্ড বৃষ্টি হলো। বৃষ্টির পর সবাই দেখল, সেই শুকনো খেজুর গাছে নতুন পাতা গজিয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই তাতে মিষ্টি খেজুর ধরল।
গ্রামের লোকজন অবাক হয়ে বলল, “আবদুল্লাহ ভাই, আপনি গাছটা কেটে ফেলেননি বলে আল্লাহ আপনাকে বরকত দিয়েছেন।”
আবদুল্লাহ বললেন, “আল্লাহর রহমতে কিছুই অসম্ভব নয়। ধৈর্য আর আশা—এই দুই-ই মুমিনের সম্পদ।
সুবহানাল্লাহ! কি সুন্দর শিক্ষা ❤️— আল্লাহর প্রতি ভরসা আর ধৈর্য রাখলে, সবচেয়ে নিরাশ মুহূর্তেও আশার আলো ফুটে ওঠে।
ReplyDeleteসূরা বাকারার ১৫৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ ঈমানদারদের বলছেন, "হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।"
ReplyDeleteস্যার,আপনার এই গল্পটি শুধু গল্পের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে নি,এটি যেনো এই আয়াতের জলজ্যান্ত বাস্তব উদাহরণ,যা ধৈর্য্য ধরনের শিক্ষা দিচ্ছে;প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের প্রতি ভরসা রাখার মনোবল তৈরি করছে। গল্পের মাধ্যমে পাঠক পাঠিকাগন আপনার উসিলায় আল্লাহর প্রতি ভরসা রেখে দোয়া/ধৈর্য্য ধারণ করা শিখবে - যা সত্যিই প্রশংসনীয়!!